শেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবু রায়হান রূপন এবং নিহতের স্বজন ছাত্রদল কর্মী রমজান আলী জানান, বিএনপি নেতা লুৎফর রহমানের সঙ্গে জাকারিয়া বাদলের দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল।
রমজান আলীর দাবি, বিএনপির দুই বিবদমান পক্ষের কারণে এই সম্পর্ক আরও জটিল হয়ে ওঠে। এছাড়া, হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি এবং কামারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও কৃষক লীগ নেতা নুরে আলমের সঙ্গে বাদলের রাজনৈতিক বিরোধ ছিল।
তিনি আরও বলেন, লুৎফর ও নুরে আলম মিলে বাদলকে দমন করতে একটি পরিকল্পনা করেন। হামলার দিন বাদলসহ তিনজন ভীমগঞ্জ বাজার থেকে ফেরার পথে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়।
বিএনপির এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
“ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক লুৎফর রহমানের সঙ্গে জাকারিয়া বাদলের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এর জেরে কৃষক লীগ নেতা নুরে আলমের অনুসারীরা লুৎফরের লোকজনের সঙ্গে মিলে বাদলের ওপর হামলা চালিয়েছে।”
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কামারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক লুৎফর রহমান। তিনি বলেন,
“বাদল আমার দলের লোক, আমি কেন তার ওপর হামলা করব? তার অনেক শত্রু রয়েছে, তাদের কেউ হয়তো এই হামলা চালিয়েছে।”
এদিকে, শেরপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন,
“এলাকায় যৌথ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং হামলাকারীদের ধরতে অভিযান চলছে।”

0 মন্তব্যসমূহ